শিক্ষার প্রয়োজন সর্বত্রই, শুধুমাত্র তথ্য বা কর্মসংস্থানের দক্ষতা অর্জনের জন্য শিক্ষা নয়, এ হলো ব্যক্তিগত ও সামাজিক পরিবর্তনের অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার। তবে আমাদের দেশে আর্থিক সীমাবদ্ধতা অনেক ক্ষেত্রেই উচ্চশিক্ষা গ্রহণে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্যে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এই বাধার মোকাবেলা করার জন্যই আবির্ভূত হয়েছে এই বিদ্যাসারথী স্কলারশিপটি, যেটি ২০১৪ সালে শুরু হওয়ার পর থেকেই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিপুল সাড়া পেয়েছে। জানুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত, এই স্কলারশিপের পোর্টালে ১০ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছেন। এই নিবন্ধে বিদ্যাসারথী স্কলারশিপের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি, যোগ্যতার মানদণ্ড, প্রয়োজনীয় নথিগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হল।
বিদ্যাসারথী স্কলারশিপ কি
বিদ্যাসারথী স্কলারশিপটি হল ‘প্রোটিন ই-গভর্নেন্স টেকনোলজিস লিমিটেড’ যা পূর্বে ‘NSDL ই-গভর্নেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড’ নামে পরিচিত ছিল, তাদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। এই স্কলারশিপটি বিদ্যালয় স্তর থেকে শুরু করে গ্রেজুয়েশন পরবর্তী স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্যও উপলব্ধ। এই স্কলারশিপের অধীনে শিক্ষার্থীরা ডাক্তার, নার্সিং, বি.এড, বি.টেক, পলিটেকনিক ইত্যাদি কোর্সের জন্য স্কলারশিপের আবেদন করতে পারেন।
ভারতে উচ্চ শিক্ষার অস্বাভাবিক ও ক্রমবর্ধমান ফি কাঠামোর কারণে অনেক শিক্ষার্থীই উচ্চ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকে। বিদ্যাসারথী হল এমন একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম যেটি শিক্ষার্থী এবং বৃত্তি প্রদানকারী বড় কোম্পানিগুলি, ট্রাস্ট বা শিল্পসংস্থাগুলিকে একত্রিত করে থাকে। যেসব শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে ইচ্ছুক এবং আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন তাঁরা এই বিদ্যাসারথী প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারেন।

বিদ্যাসারথী স্কলারশিপ কিভাবে কাজ করে
বিদ্যাসারথী স্কলারশিপ স্কিমটি হল শিক্ষা প্রসারের জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে কর্পোরেট খাত ও সরকারের একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা। এটি বিভিন্ন অংশীদারদের একত্রিত করে গঠন করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছেঃ
- কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি (সিএসআর) তহবিলঃ অনেক কর্পোরেট সংস্থা বিদ্যাসারথীর মতো শিক্ষা উদ্যোগে সহায়তা করার জন্য তাদের সিএসআর তহবিলের একটি অংশ অবদান রাখে।
- অলাভজনক সংস্থাঃ বেশ কয়েকটি অলাভজনক সংস্থা যোগ্য শিক্ষার্থীদের শনাক্ত করতে এবং আবেদন প্রক্রিয়া সহজতর করতে বিদ্যাসারথীর সাথে অংশীদারিত্ব করে থাকে।
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিদ্যাসারথী স্কলারশিপ সম্পর্কে তথ্য প্রচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বৃত্তি স্কিম তৈরি ও পরিচালনা করার ক্ষেত্রে
- শিক্ষার্থীদের আবেদনগুলি পরিচালনা করার ক্ষেত্রে
- সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রোফাইল দেখার জন্য
- বিভিন্ন ব্যবহারকারী প্রোফাইল তৈরি করার ক্ষেত্রে
কোম্পানি আইনের ১৩৫ ধারা অনুযায়ী ‘কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি’ বাঁ CSR-এর প্রযোজ্যতার ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু নির্ধারিত শর্ত রয়েছে যেমন-
- কোম্পানির নেট ওয়ার্থ ৫০০ কোটি টাকা বা তার বেশি হতে হবে।
- কোম্পানির টার্নওভার ১০০০ কোটি টাকা বা তার বেশি হতে হবে।
- কোম্পানির নেট মুনাফা ৫ কোটি টাকা বা তার বেশি।
CSR-এর বিধানগুলি শুধুমাত্র ভারতীয় কোম্পানিগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, বরং ভারতের একটি বিদেশী কোম্পানির শাখা ও প্রকল্প কার্যালয়গুলির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং কর্পোরেট কোম্পানিগুলি উচ্চ শিক্ষার জন্যে অর্থ যোগানের ক্ষেত্রে এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারবে।
বিদ্যাসারথী তহবিলদাতাদের নিজস্ব শিক্ষা অর্থায়ন স্কিম তৈরি করতে এবং তা নিজস্ব ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বা বিদ্যাসারথীর তালিকাভুক্ত একটি ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালনা করতে দেয়।
বিদ্যাসারথী স্কলারশিপ বিবরণ
বিদ্যাসারথী স্কলারশিপের সংক্ষিপ্ত বিবরণটি নিচে দেওয়া হলঃ
| প্রকল্পের নাম | বিদ্যাসারথী (Vidyasaarathi) |
| পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান | প্রোটিন ই-গভর্নেন্স টেকনোলজিস লিমিটেড (পূর্বে NSDL ই-গভর্নেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড) |
| মূল উদ্দেশ্য | আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের কর্পোরেট-অর্থায়িত বৃত্তির সাথে সংযোগ স্থাপন করে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা। |
| লাভার্থী | উচ্চশিক্ষা (স্নাতক, স্নাতকোত্তর, ডিপ্লোমা, ইত্যাদি) অর্জনে আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন এমন সকল শিক্ষার্থী। |
| স্কলারশিপের পরিমাণ | বার্ষিক ৫,০০০ – ৭০,০০০/- টাকা |
| কীভাবে কাজ করে | এটি একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম যেখানে:১. শিক্ষার্থীরা নিবন্ধন করে নিজের প্রোফাইল তৈরি করতে পারে এবং বিভিন্ন বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারে।২. কর্পোরেশন/দাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বৃত্তি স্কিম তৈরি, প্রচার এবং যোগ্য শিক্ষার্থী বাছাই করতে পারে। |
| শিক্ষার্থীদের জন্য সুবিধা | • বিনামূল্যে ব্যবহার ও আবেদন।• একই জায়গায় বহু স্কলারশিপের তথ্য ও সুযোগ।• আবেদন প্রক্রিয়া সহজ ও কেন্দ্রীভূত। |
| কর্পোরেট/দাতাদের জন্য সুবিধা | • CSR (কর্পোরেট সোশ্যাল রেস্পন্সিবিলিটি) তহবিল দক্ষতা ও স্বচ্ছতার সাথে বিতরণের উপযুক্ত মাধ্যম।• স্কিম ডিজাইন, আবেদনপ্রাপ্তি, নির্বাচন ও বিতরণের সম্পূর্ণ অনলাইন ব্যবস্থাপনা। |
| মূল বৈশিষ্ট্য | • একটি বিশ্বস্ত সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (PPP) মডেল।• প্রোটিনের ২৫+ বছরের ডিজিটাল পরিকাঠামো ও নিরাপত্তার অভিজ্ঞতায় নির্মিত।• ব্যবহারে পারদর্শিতা ও পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা। |
| অফিসিয়াল ওয়েবসাইট | www.vidyasaarathi.co.in |
নিচের সারণীতে বিদ্যাসারথী স্কলারশিপের বিভিন্ন স্কিমের বিস্তারিত দেওয়া হলঃ
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের স্কিম
| স্কিমের নাম | শ্রেণী | সমর্থনকারী সংস্থা | পরিমাণ (₹) |
| রিনিউয়াল হেল্পওয়ান স্কলারশিপ | ১ম থেকে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী | ইটন ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন | ₹২৫,০০০ |
| হেল্পওয়ান স্কলারশিপ | ১ম থেকে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী | ইটন ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন | ₹২৫,০০০ |
| পিএনবি হাউজিং ফাইন্যান্স স্কলারশিপ | ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী | PNB হাউজিং ফাইন্যান্স | ₹১০,০০০ |
| পিএনবি হাউজিং ফাইন্যান্স স্কলারশিপ | ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী | PNB হাউজিং ফাইন্যান্স | ₹১০,০০০ |
উচ্চ মাধ্যমিক স্তর (১১শ-১২শ শ্রেণি)
| স্কিমের নাম | যোগ্যতা | পরিমাণ (₹) |
| রিনিউয়াল হেল্পওয়ান স্কলারশিপ | ১১শ ও ১২শ শ্রেণি | ₹২৫,০০০ |
| হেল্পওয়ান স্কলারশিপ | ১১শ ও ১২শ শ্রেণি | ₹২৫,০০০ |
| প্রগতি স্কলারশিপ | ১১শ শ্রেণি | ₹১৫,০০০ |
| প্রগতি স্কলারশিপ | ১২শ শ্রেণি | ₹১৫,০০০ |
| পিএনবি হাউজিং ফাইন্যান্স স্কলারশিপ | ১১শ ও ১২শ শ্রেণি | ₹১২,৫০০ |
| অরবিন্দ ফাউন্ডেশন স্কলারশিপ | ১১শ শ্রেণি | ₹৫,০০০ |
| অরবিন্দ ফাউন্ডেশন স্কলারশিপ | ১২শ শ্রেণি | ₹৫,০০০ |
| রিনিউয়াল অরবিন্দ ফাউন্ডেশন স্কলারশিপ | ১২শ শ্রেণি | ₹৫,০০০ |
| এআইএ স্কলারশিপ প্রোগ্রাম | ১১শ শ্রেণি | ₹৫,০০০ |
| এআইএ স্কলারশিপ প্রোগ্রাম | ১২শ শ্রেণি | ₹৫,০০০ |
| এআইএ নবায়ন স্কলারশিপ প্রোগ্রাম | ১২শ শ্রেণি | ₹৫,০০০ |
ডিপ্লোমা স্তরের স্কিম
| স্কিমের নাম | পরিমাণ (₹) |
| পিএনবি হাউজিং ফাইন্যান্স স্কলারশিপ | ₹২৫,০০০ |
| সক্ষম স্কলারশিপ প্রোগ্রাম | ₹২০,০০০ |
| শিন্ডলার ইগনাইটিং মাইন্ডস (SIM) স্কলারশিপ | ₹২০,০০০ |
| এআইএ স্কলারশিপ প্রোগ্রাম (নবায়ন) | ₹২০,০০০ |
| এআইএ স্কলারশিপ প্রোগ্রাম (নতুন আবেদনকারী) | ₹২০,০০০ |
| অরবিন্দ ফাউন্ডেশন স্কলারশিপ | ₹১৫,০০০ |
আইটিআই (ITI) স্তরের স্কিম
| স্কিমের নাম | পরিমাণ (₹) |
| পিএনবি হাউজিং ফাইন্যান্স স্কলারশিপ | ₹১৫,০০০ |
| সক্ষম স্কলারশিপ প্রোগ্রাম | ₹১০,০০০ |
| এআইএ স্কলারশিপ প্রোগ্রাম | ₹৫,০০০ |
| অরবিন্দ ফাউন্ডেশন স্কলারশিপ | ₹৫,০০০ |
স্নাতক স্তরের স্কিম (UG)
| স্কিমের নাম | পরিমাণ (₹) |
| পিএনবি হাউজিং ফাইন্যান্স স্কলারশিপ | ₹২৫,০০০ |
| প্রোটিন ই-গভ স্কলারশিপ স্কিমের নবায়ন (এলএলবি) | ₹২৫,০০০ |
| হেল্পওয়ান স্কলারশিপ নবায়ন | ₹২০,০০০ |
| হেল্পওয়ান স্কলারশিপ | ₹২০,০০০ |
| সক্ষম স্কলারশিপ স্কিম (অরবিন্দ ফ্যাশন্স লিমিটেড) | ₹২০,০০০ |
| এলটিআই মাইন্ড ট্রি সমৃদ্ধা স্কলারশিপ | ₹২০,০০০ |
| অরবিন্দ ফাউন্ডেশন স্কলারশিপ | ₹২০,০০০ |
| কনকর্ড বায়োটেক লিমিটেড নবায়ন স্কলারশিপ (UG) | ₹১০,০০০ |
| অরবিন্দ ফাউন্ডেশন নবায়ন স্কলারশিপ | ₹১০,০০০ |
| এআইএ নবায়ন স্কলারশিপ প্রোগ্রাম (UG) | ₹১০,০০০ |
| এআইএ স্কলারশিপ প্রোগ্রাম (UG) | ₹১০,০০০ |
স্নাতকোত্তর স্তরের স্কিম (PG)
| স্কিমের নাম | পরিমাণ (₹) |
| পিএনবি হাউজিং ফাইন্যান্স স্কলারশিপ (PG/ME/MTech) | ₹৪০,০০০ |
| অরবিন্দ ফাউন্ডেশন স্কলারশিপ | ₹৩০,০০০ |
| অরবিন্দ ফাউন্ডেশন নবায়ন স্কলারশিপ | ₹৩০,০০০ |
| প্রোটিন ই-গভ নবায়ন স্কলারশিপ স্কিম (এল.এল.এম) | ₹২৫,০০০ |
| হেল্পওয়ান স্কলারশিপ নবায়ন (ইটন ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন) | ₹২০,০০০ |
| হেল্পওয়ান স্কলারশিপ (ইটন ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন) | ₹২০,০০০ |
| সক্ষম স্কলারশিপ স্কিম | ₹২০,০০০ |
বিদ্যাসারথী স্কলারশিপ আবেদনের যোগ্যতা
নিচের সারণীতে বিভিন্ন স্কিমের জন্য সাধারণ যোগ্যতার মানদণ্ড দেওয়া হলোঃ
আইটিআই (ITI) স্তরের জন্য যোগ্যতা:
- ভারতের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
- পরিবারের বার্ষিক আয় ৫,০০,০০০ টাকা বা তার কম হতে হবে।
- উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০% নম্বর পেতে হবে।
ডিপ্লোমা স্তরের জন্য যোগ্যতা:
- ভারতের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
- পরিবারের বার্ষিক আয় ৩,০০,০০০ টাকা বা তার কম হতে হবে।
- মাধ্যমিক (১০ম শ্রেণি) পরীক্ষায় কমপক্ষে ৬০% নম্বর পেতে হবে।
স্নাতক (UG) ও স্নাতকোত্তর (PG) স্তরের জন্য যোগ্যতা:
- ভারতের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
- পরিবারের বার্ষিক আয় ৫,০০,০০০ টাকা বা তার কম হতে হবে।
- উচ্চমাধ্যমিক (১২শ শ্রেণি) পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০% নম্বর পেতে হবে।
টেকনিক্যাল কোর্সের জন্য যোগ্যতা:
- ভারতের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
- পরিবারের বার্ষিক আয় ৩,০০,০০০ টাকা বা তার কম হতে হবে।
- ডিপ্লোমা অথবা স্নাতক পর্যায়ের পড়াশোনায় কমপক্ষে ৫০% নম্বর পেতে হবে।
বিদ্যাসারথী স্কলারশিপ আবেদনের প্রয়োজনীয় নথি
বিদ্যাসারথী স্কলারশিপ আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীদের নিম্নলিখিত কাগজপত্রগুলি প্রয়োজনঃ
- শিক্ষার্থীর পরিচয়পত্র
- ঠিকানার প্রমাণপত্র
- শিক্ষাগত যোগ্যতার মার্কশিট ও সার্টিফিকেট (দশম ও দ্বাদশ শ্রেণি)
- শিক্ষার্থীর ব্যাংক পাসবুক
- আয়ের শংসাপত্র
- আবেদনকারীর ছবি
বিদ্যাসারথী স্কলারশিপ আবেদন
আপনি বিদ্যাসারথী স্কলারশিপে নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেনঃ
- বিদ্যাসারথী অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে।
- হোমপেজে “সাইন আপ” বাটনে ক্লিক করতে হবে।
- আপনার মোবাইল নম্বর ও ইমেল আইডি দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে এবং তারপর একটি ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড তৈরি হবে।
- এরপর আপনার ইউজার আইডি দিয়ে লগ ইন করতে হবে।
- তারপর আপনাকে প্রোফাইলটি সম্পূর্ণ রূপে পূরণ করার জন্য আপনার ব্যক্তিগত, পারিবারিক, শিক্ষাগত ও আর্থিক তথ্যগুলি দিতে হবে।
- আবেদন ফর্মটিতে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে এবং সাথে সমস্ত নথির স্ক্যান কপি/ছবি আপলোড করতে হবে।
- প্রোফাইল ১০০% সম্পূর্ণ হয়েছে কিনা নিশ্চিত করুন। অসম্পূর্ণ প্রোফাইল দিয়ে আবেদন করা যায় না।
প্রোফাইলটি সম্পূর্ণরূপে তৈরি হওয়ার পর আপনাকে স্কলারশিপ খুঁজতে হবে এবং আবেদন করতে হবে।
- এরজন্য আপনাকে “Search Scholarship” অপশনে যেতে হবে।
- আপনার কোর্সের ধরন (যেমন: ITI, ডিপ্লোমা, স্নাতক) ও অন্যান্য ফিল্টার ব্যবহার করে আপনার যোগ্য স্কলারশিপটি বেছে নিতে হবে।
- আপনার পছন্দের স্কলারশিপ নির্বাচন করে “Apply” বাটনে ক্লিক করতে হবে।