লক্ষ্মীর ভান্ডার নতুন নিয়ম 2024 ও ফর্ম ফিলাপ

Updated on April 16th, 2024 ||

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প হল একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম, অর্থাৎ সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহৎ আকারের একটি উদ্যোগ যা পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০২১ সালে চালু করেছে। এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হোল সরকারী অনুদান প্রদানের মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ন এবং আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা। মহিলা ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ বিভাগের অধীনে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের অধীনে পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেক তপশীল জাতি ও উপজাতির মহিলারা (SC/ST) মাসে ₹১০০০/- টাকা করে এবং অন্যান্য মহিলা সদস্যরা (OBC/General) মাসে ₹৫০০/- টাকা করে আর্থিক সহায়তা লাভ করবেন, যা তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি স্থানান্তর করা হবে। এই লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ১.৬ কোটি পরিবারের মহিলাদের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। 

Table of Contents

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প উদ্দেশ্য

ভারতের মতো রক্ষণশীল দেশে মহিলারা পূর্বে স্বাবলম্বী হওয়ার এবং বিভিন্ন পেশায় যুক্ত হওয়ার তেমন সুযোগ না পেলেও বর্তমানে তারা অনেকাংশেই নিজেদের সাফল্যের সাথে প্রমান করে নানা পেশায় গৌরবের সাথে কাজ করে চলেছেন।

তবে, এমন অনেক মহিলারাই আছেন যারা অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর নন্‌ এবং শুধুমাত্র গৃহকর্মের কাজেই যুক্ত। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে সেই সমস্ত মহিলাদের আর্থিক স্বাবলম্বী এবং তাদের পরিবারের মৌলিক আয় সংস্থান করাই প্রধান উদ্দেশ্য।

এই আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে, পশ্চিমবঙ্গের মহিলারা তাদের দৈনন্দিন কাজকর্মের অর্থায়ন করতে সক্ষম হবেন, যা তাদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে সাহায্য করবে। এছাড়া এই প্রকল্প রাজ্যের গ্রামীণ এবং শহুরে অর্থনীতির ওপরেও প্রভাব ফেলবে।

লক্ষ্মীর ভান্ডার laxmi bhandar bengali

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প বিবরণ

পশ্চিমবঙ্গ লক্ষ্মীর ভান্ডারের সংক্ষিপ্ত বিবরণটি নিচে দেওয়া হলঃ

যোজনার নামলক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প
উদ্যোক্তাপশ্চিমবঙ্গ সরকার
প্রকল্প বাজেট₹১২,৯০০/- কোটি টাকা
শুরুর সময়২০২১ সাল
দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগমহিলা ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ বিভাগ
লাভার্থীপশ্চিমবঙ্গের মহিলা সকল
উদ্দেশ্যরাজ্যের মহিলাদের ক্ষমতায়ন এবং আর্থিক স্বাবলম্বী করা
বয়স সীমা২৫ থেকে ৬০ বছর
অনুদানের পরিমাণমাসিক ₹১০০০/- টাকা (তপশিলি জাতি ও উপজাতি)
মাসিক ₹৫০০/- টাকা (সাধারণ শ্রেণী এবং ওবিসি)
আবেদন পদ্ধতিদুয়ারে সরকার ক্যাম্প, বিডিও অফিস, এসডিও অফিস এবং কলকাতায় নাগরিক পৌরসভা অফিস
সরকারী ওয়েবসাইটsocialsecurity.wb.gov.in

লক্ষ্মীর ভান্ডার নতুন নিয়ম ২০২৪

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প সম্বন্ধীয় নতুন নিয়ম চলতি ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাসেই এসেছে, সাথে আগের আপডেটগুলি নিচে উল্লেখ করা হলঃ

  • লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। তপশিলি জাতি ও উপজাতির ক্ষেত্রে মাসিক ₹১২০০/- টাকা এবং সাধারণ শ্রেণী এবং ওবিসিদের ক্ষেত্রে মাসিক ₹১০০০/- টাকা করা হয়েছে।
  • এই বর্ধিত অনুদান এপ্রিল ২০২৪ থেকেই লাঘু করা হবে অর্থাৎ মে মাসের শুরুতেই উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
  • পূর্বে, দুয়ারে সরকার ক্যাম্পের আবেদনপত্র যাচাই করার পর সমস্ত উপভোক্তাদের একসঙ্গে টাকা পাঠান হত। এবার থেকে যেমন আবেদনপত্র জমা পড়বে সেই মতো যাচাই হয়ে টাকা আধার যুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
  • লক্ষ্মীর ভান্ডার উপভোক্তার বয়স ৬০ বছর হওয়ার পর নিজ থেকেই লক্ষ্মীর ভান্ডারের অনুদান বন্ধ হয়ে যাবে এবং বার্ধক্য ভাতা চালু হয়ে যাবে, সেক্ষেত্রে প্রত্যেক উপভোক্তাই ₹১০০০/- করে পাবেন।
  • লক্ষ্মীর ভান্ডারের জন্য পূর্বে আবেদনকারীদের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক ছিল, তবে বর্তমানে এই কার্ড ছাড়াও আবেদনকারীরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
  • ভবিষ্যতে অনলাইনের মাধ্যমেও লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের আবেদনের ব্যবস্থা করা হবে।
  • এই প্রকল্পে নতুন সুবিধাভোগীর সংখ্যা হোল ৯ লক্ষ ৫ হাজার ২৬৫ জন অর্থাৎ মোট উপভোক্তার সংখ্যা হোল ২ কোটি ৭ লক্ষ ৪২ হাজার ৩০১ জন।

ঐক্যশ্রী স্কলারশিপ

লক্ষ্মীর ভান্ডার টাকা কবে ঢুকবে

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের অধীনে অনেক উপভোক্তারাই আছেন যারা লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা এখনও পাননি। এই প্রকল্পে টাকা ঢোকার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলি গুরুত্বপূর্ণ নিচে সেগুলি আলোচনা করা হলঃ 

লক্ষ্মীর ভান্ডারের আবেদনকারী টাকা পাবেন কিনা তা নিশ্চিত জানতে তাকে অবশ্যই স্ট্যাটাস চেক করতে হবে। সেক্ষেত্রে কোন স্ট্যাটাসের কি অর্থ দেখে নেওয়া যাক-

লক্ষ্মীর ভান্ডার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্ট্যাটাসঃ

লক্ষ্মীর ভান্ডার স্ট্যাটাসঅর্থ কি এবং কি করতে হবে?
Bank Account Status: Validation Errorব্যাঙ্কে গিয়ে আধারের সাথে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নাম, ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য মিলিয়ে দেখতে হবে এবং প্রয়োজনে বিডিও অফিসে জানাতে হবে

Bank Account Status: Validation Error

Account Validation Error: No Such Account

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি কি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্ট, বা জয়েন্ট অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে ১ম হোল্ডারের নাম উপভোক্তার আছে কিনা, এছাড়া কেওয়াইসি আপডেট কিনা জানতে ব্যাঙ্কে যেতে হবে এবং সমস্ত তথ্য মিলিয়ে দেখতে হবে, প্রয়োজনে ব্যাঙ্কের ও কেওয়াইসি ডকুমেন্ট নিয়ে বিডিও অফিসে যেতে হবে

Bank Account Status: Validation Error

Account Validation Error: Mark Pending

ব্যাঙ্কের অনলাইন ট্রানজাকশানের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ থাকলে বা অন্য কারনেও এই স্ট্যাটাসটি দেখতে পেতে পারেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে ব্যাঙ্কে জানাতে হবে
Bank Account Status: Ready for account validationব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে এবং উপভোক্তাকে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে
Bank Account Status: Validation Lot Generated (Yet to receive validation response from bank)এটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যাচাইয়ের একটি ধাপ, এক্ষেত্রে উপভোক্তাকে কিছু করতে হবে না, তবে কিছুদিন পর আবার স্ট্যাটাস চেক করতে পারেন
Bank Account Status: Validation Success. Ready For Paymentব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের যাচাই করা হয়ে গেছে এবং উপভোক্তা এবার থেকে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাবেন

লক্ষ্মীর ভান্ডার পেমেন্ট স্ট্যাটাসঃ

পেমেন্ট স্ট্যাটাসঅর্থ কি?
Payment process yet to startনতুন উপভোক্তা যারা এই প্রথমবার অর্থ পেতে চলেছেন তারা এই স্ট্যাটাসটি দেখতে পাবেন
Payment Under Processসেই মাসের অর্থ প্রদান এখনও শুরু হয়নি তবে তা শিগগিরই শুরু হবে
Payment Successঅর্থ প্রদান করা হয়ে গেছে

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে অনেককেই ২-৩ মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে, এবং যে সমস্ত আবেদনকারীর টাকা এখনও ঢোকেনি তাদের স্ট্যাটাস আপডেটের ওপর নজর রাখতে বলা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই, কিছু সময় অপেক্ষা করার পর ‘ভ্যালিডেশন সাকসেস’ স্ট্যাটাসটি দেখা যাচ্ছে এবং সেক্ষেত্রে নিশ্চিত যে মাসের টাকা ছাড়া হলেই উপভোক্তা টাকা পাবেন।

লক্ষ্মীর ভান্ডার মোবাইল নাম্বার দিয়ে স্ট্যাটাস চেক

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের নিয়ম ও যোগ্যতা

নিচে লক্ষ্মীর ভান্ডারের নিয়ম, যোগ্যতা ও বৈশিষ্টগুলি তালিকাবদ্ধ করা হলঃ

  • লক্ষ্মীর ভান্ডারের আবেদনের ক্ষেত্রে মহিলাদের পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
  • ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি মহিলারাই এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারেন।
  • পূর্বে, শুধুমাত্র দুয়ারে সরকার ক্যাম্প থেকে আবেদন করা গেলেও নতুন নিয়ম অনুযায়ী বিডিও, এসডিও এবং কলকাতায় নাগরিক পুরসভার অফিসে গিয়েও এই প্রকল্পের আবেদন করা যাবে।
  • যে সমস্ত পরিবারগুলিতে কমপক্ষে একজন আয়কর প্রদানকারী সদস্য রয়েছেন, তারা এই প্রকল্পের আবেদন করতে পারবেন না।
  • জেনারেল শ্রেণীর যেসব মহিলাদের ২ হেক্টরের বেশি জমি রয়েছে তারাও এই প্রকল্পের আবেদন করতে পারবেন না।
  • কোন সরকারী, সরকারী নিয়ন্ত্রয়াধীন সংস্থা, পঞ্চায়েত, পৌরসভা বা পৌরনিগমে স্থায়ী চাকরি করা মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।
  • নিয়মিত বেতন বা পেনশন প্রাপক মহিলাও এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য নয়।
  • সুবিধাভোগীর আধার নম্বর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে এবং সরকারী অনুদান সরাসরি সুবিধাভোগীর সেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
  • ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি শুধুমাত্র আবেদনকারী মহিলার একক অ্যাকাউন্ট হতে হবে।
  • আবেদনকারী দ্বারা প্রদত্ত তথ্য বা নথী মিথ্যা প্রমাণিত হলে আবেদনকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পশ্চিমবঙ্গ লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধাগুলি কী কী?

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের মহিলা উপভোক্তাগণ নিম্নলিখিত আর্থিক সহায়তাগুলি পাবেনঃ

  • তফসিলি জাতি / তফসিলি উপজাতি পরিবারের মহিলারা প্রতি মাসে ₹১,০০০/- টাকা।
  • সাধারন ও অন্যান্য শ্রেণীর মহিলারা মাসে  ₹৫,০০/- টাকা করে পাবেন।

ভোটার কার্ড

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের প্রয়োজনীয় নথি 

পশ্চিমবঙ্গ লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের আবেদনের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত নথিগুলি প্রয়োজনঃ

  • লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের আবেদনকারীর স্বাক্ষরিত আবেদনপত্র
  • আধার কার্ড
  • স্বাস্থ্যসাথী কার্ড
  • SC/ST সার্টিফিকেট, যদি প্রযোজ্য হয়
  • ব্যাঙ্ক বইয়ের পৃষ্ঠার স্ব-প্রত্যয়িত ফটোকপি, যেখানে অ্যাকাউন্টধারীর নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর, ব্যাঙ্কের ঠিকানা, আইএফএস কোড এবং এমআইসিআর নম্বরের তথ্য থাকবে।
  • মোবাইল নম্বর
  • রঙিন পাসপোর্ট সাইজ ছবি

লক্ষ্মীর ভান্ডার ফর্ম ফিলাপ ২০২৪

বর্তমানে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন শুধুমাত্র অফলাইনেই করা সম্ভব। নিম্নল্লিখিত উপায় আপনি এই প্রকল্পের আবেদন করতে পারবেনঃ

  • এই প্রকল্পের আবেদনপত্র, দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে, বিডিও, এসডিও বা কলকাতায় নাগরিক পৌরসভার অফিসে বিনামূল্যে পাওয়া যাবে, অথবা সরাসরি ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন লক্ষ্মীর ভান্ডার ফর্ম
  • আবেদনপত্র যথাযথ ভাবে পূরণ করে, প্রয়োজনীয় নথীর স্ব-প্রত্যয়িত কপি সহ দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে বা ওপরে উল্লিখিত অফিসে জমা দিতে হবে।
  • আবেদনপত্র জমা হওয়ার পর তা অনুমোদিত সরকারি কর্মকর্তাদের দ্বারা যথাযথভাবে যাচাই করা হবে এবং যোগ্য আবেদনকারীদের তালিকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সুপারিশ করা হবে। তারপরে সেই তালিকা, গ্রামীণ এলাকায় ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক বা শহরাঞ্চলের মহকুমা আধিকারিকের তত্বাবধানে, পোর্টালে তোলা হবে।
  • তারপর এই প্রকল্পের অনুদানের অর্থ, উপভোক্তার আধার সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ‘ডাইরেক্ট ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার’ এর মাধ্যমে মাসিক জমা করা হবে।

লক্ষ্মীর ভান্ডার সম্পর্কিত প্রশ্ন

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প কি?

লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প হল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে করা রাজ্যের মহিলাদের জন্য একটি আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি, যেখানে যোগ্য মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি মাসিক ₹৫০০/- থেকে ₹১০০০/- প্রদান করা হয়।

লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা কারা পাবে?

লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প হল শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি মহিলারদের জন্য।

লক্ষ্মীর ভান্ডারের জন্য কারা যোগ্য নয়?

কোন সরকারী, সরকারী নিয়ন্ত্রয়াধীন সংস্থা, বিধিবদ্ধ সংস্থা, পঞ্চায়েত, পৌরসভা, পৌরনিগমে, স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থা বা সরকার পোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রভৃতিতে স্থায়ী চাকরি করা মহিলারা এই প্রকল্পের যোগ্য নয়। 

এছাড়া কোন করদাতার পরিবারের সদস্যরা এবং জেনারেল বিভাগের প্রার্থী যাদের দুই হেক্টরের বেশি জমি রয়েছে তারা লক্ষ্মীর ভান্ডার যোজনার আবেদন করতে পারবেন না।

লক্ষ্মীর ভান্ডারের জন্য কি স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বাধ্যতামূলক?

পূর্বে, লক্ষীর ভান্ডারের আবেদনের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক ছিল। তবে এখন সরকার এই নিয়ম পরিবর্তন করেছে এবং এখন স্বাস্থ্য কার্ড না থাকলেও লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন করা যাবে।

লক্ষ্মীর ভান্ডারের জন্য কি কি নথী প্রয়োজন?

লক্ষীর ভান্ডারের আবেদনের জন্য আধার কার্ড, মোবাইল নম্বর, রঙিন পাসপোর্ট সাইজ ছবি, ব্যাঙ্ক বইয়ের স্ব-প্রত্যয়িত ফটোকপি যেখানে অ্যাকাউন্টধারীর নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর, ব্যাঙ্কের ঠিকানা, আইএফএস কোড এবং এমআইসিআর নম্বর উল্লেখ থাকবে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি শুধুমাত্র আবেদনকারী মহিলার একক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট হতে হবে।

লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের টাকা কীভাবে পাব?

লক্ষীর ভান্ডার অনুদানের টাকা সরাসরি আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হবে।

Leave a Comment